মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:৩৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
মাইকিং করে চাঁদাবাজদের সতর্ক করলেন গফরগাঁওয়ের এমপি আক্তারুজ্জামান গৌরীপুর মহিলা কলেজে ‘তরুণাই পারে দেশের পরিবর্তন আনতে’ শীর্ষক বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত কুষ্টিয়া দুপক্ষের তুমুল গোলাগুলি, গুলিবিদ্ধ ৩ মুখ খুললে বহু ভদ্রলোকের প্যান্ট খুলে যাবে: ফয়েজ তৈয়্যব দেশ ছেড়ে পালানোর সময় ইউক্রেনের জ্বালানিমন্ত্রী গ্রেপ্তার আগামী মন্ত্রিপরিষদ নিয়ে জনগণের ভাবনা ও প্রত্যাশা সন্ত্রাস ও ছিনতাই প্রতিরোধে গৌরীপুরে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত পুরো রমজান মাসে হাই স্কুল বন্ধ রাখতে হাইকোর্টের নির্দেশ মির্জা আব্বাসের শপথ স্থগিত রাখতে ইসিতে পাটওয়ারীর আবেদন কুষ্টিয়া-৪: ভোট পুনঃগণনার দাবিতে বিএনপি সমর্থকদের বিক্ষোভ
নোটিশঃ
২৪ ঘন্টায় লাইভ খবর পেতে চোখ রাখুন প্রতিদিনের বাংলাদেশ ওয়েবসাইটে

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে অবান্তর বিতর্ক সৃষ্টি অনাকাঙ্ক্ষিত

Reporter Name / ১৭৫ Time View
Update : বুধবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩, ১০:৪১ পূর্বাহ্ন

অনলাইন  ডেস্ক:

রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ ব্যক্তির (রাষ্ট্রপতি) প্রশ্নে অবান্তর বিতর্ক সৃষ্টি করা অনাকাঙ্ক্ষিত বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল। বুধবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন তিনি।

আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সাবেক দুদক কমিশনার মো. সাহাবুদ্দিনকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত ঘোষণা প্রসঙ্গে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, দুদক আইনে ৯ ধারায় বলা হয়েছে, কর্মাবসানের পর কোনো কমিশনার প্রজাতন্ত্রের লাভজনক কোনো পদে নিয়োগ লাভে যোগ্য হবেন না। কিন্তু, ওই প্রার্থীকে আমরা (ইসি), প্রধানমন্ত্রী কিংবা প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দেননি। তিনি নির্বাচিত হয়েছেন। প্রচলিত প্রথা অনুসরণ করে আইন তাকে নির্বাচিত করেছে।

কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, নির্বাচন ও নিয়োগের মধ্যে পার্থক্যটা আমাদের বুঝতে হবে। তাকে যদি নিয়োগ দেওয়া হতো, তাহলে সেটি অবৈধ হতো।

তিনি বলেন, সাবেক প্রধান বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমেদ যখন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন, তখন একটি রিট মামলা হয়েছিল। সেই মামলায় সাহাবুদ্দীন আহমেদের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সম্পূর্ণ বৈধ বলে রায় দেওয়া হয়েছিল। পদটি অফিস অব প্রফিট হলেও এটা অফিস অব প্রফিট ইন দ্য সার্ভিস অব দ্য রিপাবলিক নয়। সেটি বিভাজন করে দেখানো হয়েছে।

সিইসি বলেন, রাষ্ট্রপতি পদে অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি যেমনই ঠিক, তেমনই একজন অবসরপ্রাপ্ত দুদক কমিশনারও অবৈধ নয়। প্রচলিত আইনকানুন অনুযায়ী তার (মো. সাহাবুদ্দিন) এই পদে নির্বাচিত হতে কোনো ধরনের অযোগ্যতা নেই। এ ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের মতামত দিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা অনাবশ্যক বা সমুচিত নয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Developer Ruhul Amin