মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:৩০ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
আজ প্রমাণিত হলো সবাই আমরা রহমান পরিবার”মহাসমাবেশে মুশফিকুর রহমান সাংবাদিক-পর্যবেক্ষকদের মোবাইল নিয়ে ভোটকেন্দ্রে যেতে বাধা নেই বিএনপিকে সুযোগ দিন : তারেক রহমান রাজধানীতে ৩৭ কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ, গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ১৬১৪ : ডিএমপি কমিশনার বিমান বাহিনীর ড্রোন থেকে ভোটের মাঠ লাইভ দেখবে ইসি ও সরকার বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে আগ্রহী ইরান: রাষ্ট্রদূত নতুন প্রজন্মের জন্য মুক্তিযুদ্ধের অনুপ্রেরণা প্রয়োজন : প্রধান উপদেষ্টা চট্টগ্রাম বন্দরে ধর্মঘট ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্থগিত নিরাপদ অভিবাসন ও বিদেশ ফেরতদের পুনরেএকীকরণ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত ক্ষমতায় গেলে নাহিদ ইসলামকে মন্ত্রী বানানোর ঘোষণা জামায়াত আমিরের
নোটিশঃ
২৪ ঘন্টায় লাইভ খবর পেতে চোখ রাখুন প্রতিদিনের বাংলাদেশ ওয়েবসাইটে

লালন-হাসন রাজার জন্মজয়ন্তীও জাতীয়ভাবে পালন করা উচিত”ফারুকী

Reporter Name / ৪৫৬ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৮ মে, ২০২৫, ৫:২৮ অপরাহ্ন

মোঃ জিয়াউর রহমান স্টাফ রিপোর্টার|
সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী বলেছেন, এ অঞ্চলের সবচেয়ে বড় দার্শনিক ও গানের মানুষ লালন ও সিরাজ সাঁই। আমরা যেমন রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তী পালন করছি তেমনি লালন ফকির ও হাসন রাজার জন্মজয়ন্তীও জাতীয়ভাবে পালন করা উচিত।

বৃহস্পতিবার (৮ মে) কুষ্টিয়ার শিলাইদহের কুঠিবাড়িতে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৪তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, জমিদারি সূত্রে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শিলাইদহে আসতেন। সেখানকার মানুষের সঙ্গে তার আলাদা একটি দেওয়া-নেওয়ার সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল। সেটা ছিল জাগতিক ও ইন্টেলেকচুয়াল। রবীন্দ্রনাথের অনেক চিঠিপত্রে তিনি বলেছেন বাংলাদেশের প্রকৃতির টানের পাশাপাশি এদেশের একদল ভাবুক মানুষের সঙ্গে তার যোগাযোগ ছিল। বিশেষ করে গগন হরকরা।
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী বলেন, আমাদের দেশের নিজস্ব সংস্কৃতির প্রাথমিক অভিব্যক্তি হলো গান। আমি এগুলোকে শুধু গান হিসেবে না দেখে কবিতা ও দর্শন হিসেবে দেখতে বলবো। তাহলে আমরা বুঝতে পারবো আমাদের এ অঞ্চলের দর্শন ও ভাবের গভীরতা কতটুকু ছিল।
সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মফিদুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. ফরহাদ সিদ্দিক, ভাষা বিজ্ঞানী অধ্যাপক মনসুর মুসা, কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমান বক্তব্য রাখেন।

কুঠিবাড়ির মূল মঞ্চে প্রতিদিন আলোচনা সভার পাশাপাশি রবীন্দ্র সঙ্গীত, কবিতা আবৃত্তি, দলীয় নৃত্য ও রবীন্দ্রনাথের লেখা নাটক পরিবেশন করা হবে। একই সঙ্গে কুঠিবাড়ি চত্বরে বসেছে গ্রামীণ মেলা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Developer Ruhul Amin