একক ভাবে যার বিচরন গফরগাঁওয়ের প্রতিটি ঘরে ঘরে, প্রতিটি দুয়ারে দুয়ারে, যে যার মত সমস্যার সমাধান করে নিচ্ছেন নিজের কাজ।সবাই আসতে পারেন নিজের মনের কথা বলতে পারেন। তিনি এমন একজন সামাজিক নেতা, সারা দেশেই তার গুনের পরিচয় বহন করে। তিনি একজন দানশীল। সামাজিক ভাবে যেমন দান করেন রাজনৈতিক ভাবেও তেমন সোচ্ছার। বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের গফরগাঁও শাখার সাংবাদিকদের এক জরিপে উঠে এসেছে এবি সিদ্দিকুর রহমান জনসাধারনের রিদয়ে যে ভাবে স্থান করে নিয়েছেন তা অতীতের যে কাওকে হার মানাবে। সাধারন জনগনের আশা এবার শতভাগ নিশ্চিত যে তারেক রহমান ও মুল নেতাদের কাছ থেকে গফরগাঁওয়ের বর্শিয়ান, গাজির্য়ান, অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার, মমতাময়ি দানশীল এবি সিদ্দুকুর রহমান কে নমিনেসনের(অনুমতি) দিয়ে গফরগাঁয়ে পাঠাবেন আর গফরগাঁবাশী অতীতের চেয়ে অনেক বেশি ভোট দিয়ে দেশ নেএী বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক জিয়ার কাছে পাঠাবেন এমনটিই আশা ব্যাক্ত করেছেন গফরগাঁওয়ের উস্বাসিতজনতা। কিন্ত কি কারণে তাকে নমিনেশন না দিয়ে গফরগাঁয়ের জনতার রিদয়ে বিষাক্ত ছুরি মারা হযেছে বলে জনতার প্রকাশ।
গফরগাঁওয়ের জনতার কথা হলো দূর্দীনে বি এন পি কে আগলে রেখেছেন রহমান পরিবার। বি এন পি র উপর যে অত্যাচার হয়েছিল তার মধ্যে কমল হত্যাছিল একটি। সে ছিল পৌর ছাএদলের সাধারন সম্পাদক ইবনে আজাদ কমল কে প্রকাশ্যে দিনে দুপুরে হত্যা করা হয়েছে। ততকালিন সময় গফরগাঁও থানায় মামলা নেয়নি। কারন এই হত্যাকারীরা ছিল তৎসময়ে আওয়ামীলিগ তাদের দাপট ছিল অবৈধ্য সীমাহীন। তৎকালী তাদের কথায় থানার ওসি উঠবস করত।
তখনকার সময়ে কমল এর পরিবারের প্রতি কেহ এগিয়ে আসলোনা। এই অসহায় পরিবারের কথা বি সিদ্দিকরি রহমান নিজ দ্বায়িত্বে সরাসসি বেগম খালেদা জিয়র কাছে নিজেই কমল হত্যার বিচার চেয়েছেন এবং এই অসহায় পরিবার চলার জন্য ১৫লাখ টাকার চেক এবি সিদ্দিকুর রহমান বেগম খালেদা জিয়ার হাতে কমল র পরিবারের হাতে তুলে দেন। যে নিজের ভিতরে আগুন জ্বালিয়ে রাখে সে অন্ধকারেও আলো ছড়ায়।
এ বি সিদ্দিকুর রহমান সেই আগুন জ্বালিয়ে রেখেছেন-সত্য, সাহস ও ত্যাগের আগুন। তার আলোয় আলোকিত হোক গফরগাঁও, আলোকিত হোক আমাদের ভবিষ্যৎ।
নির্বাচন কমিশনে আপিল করে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন ময়মনসিংহ-১০ (গফরগাঁও) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী এবি সিদ্দুকুর রহমান।এই খবরে এলাকায় তার কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক আনন্দ-উচ্ছ্বাস লক্ষ করা গেছে। বৃহসপ্রতিবার (১৫ জানুয়ারি)নির্বাচন কমিশনে আপিল শুনানি শেষে তাকে বৈধ প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেন।
এবি সিদ্দুকুর রহমান বলেন, নির্বাচন কমিশনের আপিল বিভাগের রায়ের মধ্য দিয়ে ন্যায় প্রতিষ্ঠা হয়েছে। গত ৩ জানুয়ারি ময়মনসিংহ জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে কোন এক কারণে গরমিলের অভিযোগে আমার প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছিল। অবশেষে নির্বাচন কমিশনে আপিল করে আমি প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছি,এটা গফরগাঁও বাসীর ভালবাসার প্রতিফলন।আমি গফরগাঁও বাসীর প্রতি চীরকৃতজ্ঞ। আমাকে এত ভালবাসে গফরগাঁবাসী,আমি তাদের জন্য জীবন বিলিয়ে দিতে প্রস্তুত সর্বদায় ইনশাআল্লাহ্।
বিভিন্ন এলাকা থেকে খবর আসছে অফিসে”” গফরগাঁওয়ের জনতা সবহয়েছে একতা,সবাই মিলে দিব ভোট,শান্তি পাবে গফরগাঁয়ের লোক,আজকে এই স্লোগানে স্লোগানে মূখরিত গফরগাঁয়ের অলি গলি।