বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:২২ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
নির্বাচন পর্যবেক্ষণে ঢাকায় ৩৯৪ বিদেশি পর্যবেক্ষক ও ১৯৭ সাংবাদিক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা হলে তাৎক্ষণিক কঠোর ব্যবস্থা: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা নাসা গ্রুপ ধসের আড়ালে কয়েকশ কোটি টাকার সম্পদ লুট অভিযোগের তীর ভাইস চেয়ারম্যানের দিকে ২৯৯ আসনে পৌঁছে গেছে ব‍্যালট পেপার ভোটগ্রহণের চূড়ান্ত প্রস্তুতি সম্পন্ন : ইসি সচিব নির্বাচন ঘিরে ঈদ আনন্দ, গ্রামে ছুটছে মানুষ আজ প্রমাণিত হলো সবাই আমরা রহমান পরিবার”মহাসমাবেশে মুশফিকুর রহমান সাংবাদিক-পর্যবেক্ষকদের মোবাইল নিয়ে ভোটকেন্দ্রে যেতে বাধা নেই বিএনপিকে সুযোগ দিন : তারেক রহমান রাজধানীতে ৩৭ কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ, গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ১৬১৪ : ডিএমপি কমিশনার
নোটিশঃ
২৪ ঘন্টায় লাইভ খবর পেতে চোখ রাখুন প্রতিদিনের বাংলাদেশ ওয়েবসাইটে

ফরিদপুরে শুক্রবার মাছ বাজার ঘোষ খোরদের দখলে 

Reporter Name / ১১২ Time View
Update : শুক্রবার, ২৮ জুন, ২০২৪, ৭:০০ অপরাহ্ন

ফরিদপুর  প্রতিনিধিঃ

ফরিদপুরে সপ্তাহে শুক্রবার আসলেই বাজারে গিয়ে মাছ সহ নিত্য পণ্য সামগ্রী কিনতে হিমশিম খেতে হয় সাধারণ জনগনের,  অভিযোগ একাধিক বাজার করতে আসা ব‍্যক্তিদের। ব্যক্তিরা জানান সিন্ডিকেট আর অধিক মুনাফার আশায় বাজার ব্যবস্থা ও নিত্যপণ্যের মুল্যের এ বেহাল দশা।
সরেজমিনে শুক্রবার (২৮ শে জুন)  টেপাখোলা মাছ বাজারে গিয়ে দেখা যায়, মাছ বিক্রেতারা দুই হাজার, তিন হাজার এবং সর্বনিম্ন এক হাজার টাকার কমে মাছের কোন ভাগ দিচ্ছে না। অধিক / চড়া দামে মাছের ভাগ দিয়ে বিক্রির কারনে মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবারের সদস্যরা বাজারে গিয়ে মাছ কিনতে পারে না, সাধ্যের বাইরে চলে যাচ্ছে।
ফরিদপুরের টেপাখোলা বাজারে মাছ কিনতে আসা নাসির, কাশেম, ফজল,  তুহিন সহ একাধিক ব‍্যক্তিরা জানান, শুক্রবারে আমরা টেপাখোলা বাজারে মাছ কিনতে পারিনা ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও। তার কারন হচ্ছে সপ্তাহে একদিন সরকারি ঘুষখোর কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা বাজার করতে বাজারে আসে। তারা বাজারে এসে খুবই  কম দামাদামি করে এবং মাছ
বিক্রেতারা যা দাম চায় তাই দিয়ে নিয়ে যায়। এতে ব্যবসায়ীরা লাভবান হয়।
এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক মাছ বিক্রেতারা জানান,শুক্রবারে মাছ বিক্রি করতে ভালো
লাগে, দাম ও বেশি পাই।  কারন জানতে চাইলে তারা জানায়, শুক্রবারে সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা বাজার করতে আসে এবং যা দাম চাই তাই দিয়ে তারা নিয়ে যায়। এজন‍্য শুক্রবারে মাছের ছোট ভাগ দেই না।বড় বড় টাকার ভাগ দিয়ে থাকি যাতে তারাতারি মাছ বিক্রি হয়ে যায়।
বাজারে সরেজমিনে ঘুরে আরো দেখা গেলো বেশিরভাগ বাজার করতে আসা সাধারণ  ব‍্যক্তিরা মাছ না কিনে প্রয়োজনীয় ( তরকারি)  সামগ্রী কিনে বাড়ি চলে যাচ্ছে।  অনেকে শুক্রবারে আর বাজারে আসবো না বলে দু:খ প্রকাশ করে সাধ্যের বাইরে নিত্যপণ্যের মুল্যের জন্য।
সাধারণ জনগন ও সুধী সমাজের দাবি, বন্ধের দিন বাজার থাকে ঘোষখোরদের নিয়ন্ত্রণে। শুধু মাছ নয় নিত্যপ্রয়োজনীয়
 সব কিছুর দাম চড়া থাকে। সঠিক বাজার নিয়ন্ত্রণ না থাকার কারনে ইচ্ছা মতো মুনাফা লাভের আশায় সব কিছু বিক্রি হচ্ছে।
সাধারণ জনগনের দাবি,  বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারী ও স্থানীয় পর্যায়ে কার্য‍করি ব‍্যবস্থা গ্রহন করা হলে নিত্যপন্য সহ সকল ব্যবহার্য দ্রব্যের মুল্য নিয়ন্ত্রণে থাকবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Developer Ruhul Amin