বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:১৯ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
নির্বাচন পর্যবেক্ষণে ঢাকায় ৩৯৪ বিদেশি পর্যবেক্ষক ও ১৯৭ সাংবাদিক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা হলে তাৎক্ষণিক কঠোর ব্যবস্থা: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা নাসা গ্রুপ ধসের আড়ালে কয়েকশ কোটি টাকার সম্পদ লুট অভিযোগের তীর ভাইস চেয়ারম্যানের দিকে ২৯৯ আসনে পৌঁছে গেছে ব‍্যালট পেপার ভোটগ্রহণের চূড়ান্ত প্রস্তুতি সম্পন্ন : ইসি সচিব নির্বাচন ঘিরে ঈদ আনন্দ, গ্রামে ছুটছে মানুষ আজ প্রমাণিত হলো সবাই আমরা রহমান পরিবার”মহাসমাবেশে মুশফিকুর রহমান সাংবাদিক-পর্যবেক্ষকদের মোবাইল নিয়ে ভোটকেন্দ্রে যেতে বাধা নেই বিএনপিকে সুযোগ দিন : তারেক রহমান রাজধানীতে ৩৭ কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ, গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ১৬১৪ : ডিএমপি কমিশনার
নোটিশঃ
২৪ ঘন্টায় লাইভ খবর পেতে চোখ রাখুন প্রতিদিনের বাংলাদেশ ওয়েবসাইটে

বাজারে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছে সাধারণ জনগন

Reporter Name / ১১৪ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৭ জুন, ২০২৩, ১১:২৯ পূর্বাহ্ন

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
ঈদের বাকি আছে আর এক দিন।কিন্ত ঈদ উপলক্ষে বাজারে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছে সাধারণ জনগন। মশলা ও কাচা মরিচ ক্রেতাদের ক্রয় ক্ষমতার বাহিরে চলে গেছে বলে জানান সাধারণ ক্রেতারা।
আজ মঙ্গলবার ফরিদপুরের টেপাখোলা বাজারে গিয়ে দেখা যায় কাচা মরিচ সহ ঈদ খাদ‍্য সামগ্রী চরম
ভাবে মূল্য উর্ধগতি। এক হাজার টাকা প্রতি কেজি জিরার দাম.বার শত টাকা কেজি  এলাচ সহ কাচা মরিচ প্রয় চারশত টাকা কেজি ধরে বিক্রি হচ্ছে।
দোকানী হায়দার. সত‍্য. মাসুদ সহএকধিকরা জানান  প্রতিটি ঈদ সামগ্রীক মষলার দাম বৃদ্ধি পেয়েছে।
তারা আরো জানান আমারা কি করবো পাইকারি মহাজনরা যেভাবে দাম নির্ধারণ করে আমারা সেভাবেই কিনে এনে আপনাদের কাছে বিক্রি কর থাকি।
বাজার করতে আসা মোস্তফা.মুসা.
কামাল সহ একাধিকরা জানান বাজার নিয়ন্ত্রণ নেই ।বাজার নিয়ন্ত্রণকারীরা সঠিক সময় বাজার তদারকি করলে এভাবে নিয়ন্ত্রণহীন ভাবে খাদ‍্য সামগ্রী দাম বাড়তো না।
এ জন‍্য বাজার কর্মকর্তাদের দায়ি করেন তারা । এদিকে অনেকেই দেখা
গেছে বাজার না করে বাড়ি ফিরে যাচ্ছে। সেলিম নাম বাজার না করে বাড়ি ফিরে চলে যাচ্ছে কেন জানতে চাইলে তিনি জানান যে টাকা নিয়ে বাজারে এসেছে তাতে বাজার হবে না তাই বাড়ি চলে যাচ্ছি বাসায় টাকা থাকলে নিয়ে এসে বাজার করবো।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Developer Ruhul Amin