শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ০৬:৪৪ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
ঈদের আনন্দে ভেদাভেদ ভুলে ঐক্যের ডাক—নেত্রকোনা ৯নং ওয়ার্ডবাসীর পাশে থাকতে চায় নজরুল আলম ফিরোজ নেত্রকোনা পৌরবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন সাবেক ছাত্রনেতা মোঃ কামরুল হক মাদকখোরের থাবায় জীবন গেলো শিশু মরিয়মের বৃদ্ধকে পিটিয়ে হাসপাতালে নেওয়ার পথে মৃত্যু নেত্রকোনায় সামাজিক সংগঠন বন্ধুযোগের কুরআন খতম ও ইফতার মাহফিল মদনে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে নগদ অর্থ ও শাড়ি বিতরণ নেতাকর্মীদের যে নির্দেশনা দিলেন”এম পি আকতারুজ্জামান বাচ্চু গৌরীপুরের শ্যামগঞ্জ বাজারে সাইকেল শোরুমে হামলা ও লুটের অভিযোগ মদনে ১৮ দিনেও নিখোঁজ শিশু আরিয়ান, মানববন্ধনে জীবিত উদ্ধারের দাবি চট্টগ্রামে মস্কো বেকারসের ২২তম শাখার শুভ উদ্বোধন
নোটিশঃ
২৪ ঘন্টায় লাইভ খবর পেতে চোখ রাখুন প্রতিদিনের বাংলাদেশ ওয়েবসাইটে

শুকরিয়া, গ্রেনেড-বোমা-গুলির মুখোমুখি হয়েও বেঁচেও আছি: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক / ১২৮ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৮ মে, ২০২৩, ১০:২৮ পূর্বাহ্ন

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ধন্যবাদ আমার দেশবাসীকে, তারা যদি বার বার ভোট না দিতো, আর আমাকে সেবা করার সুযোগ না দিতো আমি তো আসতে পারতাম না। আল্লাহর কাছে শুকরিয়া, গ্রেনেড-বোমা-গুলি সব কিছু মুখোমুখি হয়েও আমি বেঁচেও আছি এবং দেশের মানুষের জন্য কাজ করতে পারছি। এটাই সবচেয়ে বড় কথা। বৃহস্পতিবার (১৮ মে) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকের সূচনা বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

মঙ্গলবার (১৬ মে) সর্বসম্মতিক্রমে জাতিসংঘে কমিউনিটিভিত্তিক স্বাস্থ্যসেবা বিষয়ক একটি রেজোল্যুশন সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়েছে। এতে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অসামান্য উদ্ভাবন ‘কমিউনিটি ক্লিনিক’কে বৈশ্বিক স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে এবং বাংলাদেশের প্রশংসা করা হয়েছে। জাতিসংঘের ৭০টি সদস্য রাষ্ট্র এ রেজোল্যুশনটি কো-স্পন্সর করে।

রেজোল্যুশনটির শিরোনাম ছিল- ‘কমিউনিটিভিত্তিক প্রাথমিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থা: সার্বজনীন স্বাস্থ্য পরিষেবা অর্জনের লক্ষ্যে একটি অংশগ্রহণমূলক এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক পদ্ধতি।  প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে বাংলাদেশের প্রস্তাবিত এ রেজোল্যুশন কো-স্পন্সর করা দেশগুলোকে ধন্যবাদ দেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, আমাদের অভিজ্ঞতা আমরা সকলের সঙ্গে শেয়ার করবো। অনেক দেশ এভাবে স্বাস্থ্য সেবা দিতে পারেনি তাদের সঙ্গে শেয়ার করবো। চিকিৎসা সেবা মানুষের দোরগোড়ায় চিকিৎসা নিতে আসে সেটাই সবচেয়ে বড় কথা।

শেখ হাসিনা বলেন, ২০০১ সালে দোরগোড়ায় ক্ষমতায় এসে এটা বন্ধ করে দিলো। তাদের বন্ধ করার যুক্তি হলো, কমিউনিটি ক্লিনিক থেকে মানুষ যদি চিকিৎসা সেবা নেয় তাহলে সবাই নৌকায় ভোট দেবে। তাদের কেউ ভোট দেবে না এজন্য বন্ধ করে দিলো। আমার খুব কষ্ট লাগলো, আমরা যে ক্লিনিক করলাম সেখানে শুধু আওয়ামী লীগের লোক চিকিৎসা নেবে না। জনগণ সেবা পাবে। সাধারণ মানুষ সেবা পাবে। ওইসব এলাকায় অন্য দলের সমর্থক আছে না? তাহলে বন্ধ কেন করলো?

এ সময় কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপন শুরুর কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, আমরা প্রায় ১১ হাজার ঘর করেছিলাম। তার মধ্যে প্রায় ৪ হাজার স্বাস্থ্যকেন্দ্র চালু করে দিলাম। চালু করার ১ বছর পর আমরা একটা সার্ভে করলাম। যে এটা যে করে দিলাম রেজাল্ট কি আসে। মানুষ কতোটুকু লাভবান হয়। এর মধ্যে বিশ্ব ব্যাংক থেকে শুরু করে অনেকে এগিয়ে এলো। এক বছর পর আমরা একটা জরিপ করলাম। তাতে দেখা গেলো ৭০ শতাংশের ওপর এর সাফল্য। আমরা আরো উৎসাহিত হলাম যে ৪ হাজার চালুর পর, ১১ হাজার চালু করে দেওয়ার সমস্ত ব্যবস্থা করার সাথে সাথে আমাদের পাঁচ বছর সময় শেষ।

ভবিষ্যতে কমিউনিটি ক্লিনিক যাতে কেউ বন্ধ করতে না পারে সে জন্য ২০০৯ সালে ক্ষমতায় এসে এটিকে একটি ট্রাস্টের আওতায় দেওয়ার কথাও উল্লেখ করেন সরকার প্রধান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Developer Ruhul Amin