শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ০৪:৩৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন”এম পি আক্তারুজ্জামান বাচ্চু আধুনিক ও স্মার্ট নেত্রকোনার স্বপ্ন নিয়ে ​ ঈদ শুভেচ্ছা জানালেন সোহাগ মিয়া প্রীতম ঈদের আনন্দে ভেদাভেদ ভুলে ঐক্যের ডাক—নেত্রকোনা ৯নং ওয়ার্ডবাসীর পাশে থাকতে চায় নজরুল আলম ফিরোজ নেত্রকোনা পৌরবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন সাবেক ছাত্রনেতা মোঃ কামরুল হক মাদকখোরের থাবায় জীবন গেলো শিশু মরিয়মের বৃদ্ধকে পিটিয়ে হাসপাতালে নেওয়ার পথে মৃত্যু নেত্রকোনায় সামাজিক সংগঠন বন্ধুযোগের কুরআন খতম ও ইফতার মাহফিল মদনে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে নগদ অর্থ ও শাড়ি বিতরণ নেতাকর্মীদের যে নির্দেশনা দিলেন”এম পি আকতারুজ্জামান বাচ্চু গৌরীপুরের শ্যামগঞ্জ বাজারে সাইকেল শোরুমে হামলা ও লুটের অভিযোগ
নোটিশঃ
২৪ ঘন্টায় লাইভ খবর পেতে চোখ রাখুন প্রতিদিনের বাংলাদেশ ওয়েবসাইটে

মওলানা ভাসানীর আজ ৪৮তম মৃত্যুবার্ষিকী

Reporter Name / ১৩১ Time View
Update : রবিবার, ১৭ নভেম্বর, ২০২৪, ৫:৪৪ পূর্বাহ্ন

অনলাইন  ডেস্ক:  মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ৪৮তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ রোববার (১৭ নভেম্বর)।১৯৭৬ সালের এই দিনে ঢাকার তৎকালীন পিজি হাসপাতালে (বর্তমানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। টাঙ্গাইলের সন্তোষে মওলানা ভাসানীকে চির নিদ্রায় শায়িত করা হয়। এ উপলক্ষে ঢাকা ও টাঙ্গাইলের সন্তোষে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বাণী দিয়েছেন।

মওলানা ভাসানী তার কৈশোর-যৌবন থেকেই রাজনীতিতে জড়িত ছিলেন। দীর্ঘদিন তিনি তৎকালীন বাংলা-আসাম প্রদেশ মুসলিম লীগের সভাপতি ছিলেন। লাইন-প্রথা উচ্ছেদ, জমিদারদের নির্যাতনবিরোধী আন্দোলনসহ সারাজীবনই তিনি সাধারণ মানুষের কল্যাণে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছেন। তার উদ্যোগে ১৯৫৭ সালে কাগমারীতে অনুষ্ঠিত ঐতিহাসিক কাগমারী সম্মেলন বাংলাদেশের রাজনীতিতে মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিল।

মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী অধিকারবঞ্চিত, অবহেলিত ও মেহনতি মানুষের অধিকার ও স্বার্থরক্ষায় আজীবন নিরবচ্ছিন্নভাবে সংগ্রাম করে গেছেন। জাতীয় সংকটে জনগণের পাশে থেকে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলতে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করতেন। দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি দেশ ও জনগণের জন্য নিঃস্বার্থভাবে কাজ করে গেছেন। মওলানা ভাসানী সব সময় ব্যক্তি স্বার্থের ঊর্ধ্বে জাতীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দিতেন। ক্ষমতার কাছে থাকলেও ক্ষমতার মোহ তাকে কখনো আবিষ্ট করেনি। ব্যক্তিজীবনে তিনি ছিলেন নির্মোহ, অনাড়ম্বর ও অত্যন্ত সাদাসিধে। তার সাধারণ জীবনযাপন দেশ ও জনগণের প্রতি গভীর ভালোবাসার প্রতিফলন। শোষণ ও বঞ্চনাহীন, প্রগতিশীল, গণতান্ত্রিক, অসম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গঠনের জন্য মওলানা ভাসানী আজীবন সংগ্রাম করে গেছেন।

১৮৮০ সালের ১২ ডিসেম্বর সিরাজগঞ্জের ধানগড়া গ্রামে মওলানা ভাসানীর জন্ম। সিরাজগঞ্জে জন্ম হলেও তার জীবনের বড় অংশই কাটিয়েছেন টাঙ্গাইলের সন্তোষে। তিনি তার কৈশোর-যৌবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। জানা গেছে, মওলানা ভাসানীর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে টাঙ্গাইল পৌর শহরের সন্তোষে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ভাসানী ফাউন্ডেশনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Developer Ruhul Amin