মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা হলে তাৎক্ষণিক কঠোর ব্যবস্থা: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা নাসা গ্রুপ ধসের আড়ালে কয়েকশ কোটি টাকার সম্পদ লুট অভিযোগের তীর ভাইস চেয়ারম্যানের দিকে ২৯৯ আসনে পৌঁছে গেছে ব‍্যালট পেপার ভোটগ্রহণের চূড়ান্ত প্রস্তুতি সম্পন্ন : ইসি সচিব নির্বাচন ঘিরে ঈদ আনন্দ, গ্রামে ছুটছে মানুষ আজ প্রমাণিত হলো সবাই আমরা রহমান পরিবার”মহাসমাবেশে মুশফিকুর রহমান সাংবাদিক-পর্যবেক্ষকদের মোবাইল নিয়ে ভোটকেন্দ্রে যেতে বাধা নেই বিএনপিকে সুযোগ দিন : তারেক রহমান রাজধানীতে ৩৭ কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ, গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ১৬১৪ : ডিএমপি কমিশনার বিমান বাহিনীর ড্রোন থেকে ভোটের মাঠ লাইভ দেখবে ইসি ও সরকার
নোটিশঃ
২৪ ঘন্টায় লাইভ খবর পেতে চোখ রাখুন প্রতিদিনের বাংলাদেশ ওয়েবসাইটে

পিতার হত্যাকারীদের বিচারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

Reporter Name / ১৪৯ Time View
Update : রবিবার, ৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫, ১:৫৫ অপরাহ্ন
oplus_0

মোঃ হুমায়ুন কবির,গৌরীপুর |
ময়মনসিংহের গৌরীপুর প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে রবি আজিয়াটা মোবাইল সিম ব্যবহারের বয়কটের ডাক দিয়েছেন আবুল হাশিমের সন্তানরা। গত বছর ১৮ অক্টোবর চৌদ্দগ্রাম উপজেলার ফাল্গুনকরা রবি টাওয়ারে ডিউটিরত অবস্থায় নিহত হন ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার কাউরাট চকবাড়ী গ্রামের আবুল হাশিম। তিনি সেখানে নিরাপত্তাকর্মী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। সিকিউরিটি কোম্পানি আইএসএস লিমিটেড কর্তৃক তিনি সেখানে নিয়োগপ্রাপ্ত ছিলেন।
রবিবার বিকালে গৌরীপুর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে নিহত আবুল হাশেমের ছেলে মনোয়ার হাসিব মামুন সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলেন- তার বাবা আবুল হাশিম ২০০৩ সাল থেকে সিকিউরিটি কোম্পানি আইএসএস লিমিটেডের মাধ্যমে রবি টাওয়ারে নিরাপত্তা কর্মী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ঘটনারদিন রাতে তিনি সেখানে একাই দায়িত্ব পালন করছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে, রবি টাওয়ারের বিভিন্ন সেক্টরে কর্মরত সদস্যই মূল্যবান মালামাল চুরি করতে আসে, এবং তাদের চিনে ফেলায় নির্মমভাবে আবুল হাশেমকে হত্যা করে। কিন্তু দুঃখজনক বিষয় হচ্ছে- হত্যাকারীদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা না নিয়ে রবি ও আইএসএস কোম্পানি তাদের রক্ষা করতে খুনিদের পক্ষ নেয়। এমনকি নিহত আবুল হাশিমের পরিবারকে কোন সমবেদনা জানায়নি ও যোগাযোগ করেনি।
সংবাদ সম্মেলনে নিহতের দুই মেয়ে আলিফা সুলতানা হ্যাপি, লতিফা সুলতানা শিপুসহ অন্যান্য আত্মীয়-স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন।
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থানা পুলিশের অসহযোগিতার কারণে প্রকৃত খুনিদের আসামিও করা যায়নি। সম্প্রতি কুমিল্লা আদালতের মাধ্যমে সন্দেহভাজন ফাল্গুনকরা টাওয়ারের ইনচার্জ নুরুল্লাহ, সাবেক ইনচার্জ আনিস, জেনারেটার অপারেটর সুমন, আইএসএস লিমিটেড কোম্পানির সুপারভাইজার আনোয়ার ও ফাল্গুনকরা রবি টাওয়ারের অপর সিকিউরিটি গার্ড সফিউরকে সম্পূরক আসামি করা হলেও কিন্তু অদ্যবদি পুলিশ তাদের গ্রেফতার করেনি।
এব্যাপারে কুমিল্লা চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হেলাল উদ্দিন আহমেদ এ থানায় সদ্য যোগদানের বিষয়টি জানিয়ে সাংবাদিকদের বলেন- মামলাটি ক্লুলেস থাকার কারণে খুনিদের গ্রেফতার করা যায়নি, তবে পরবর্তীতে আদালতের মাধ্যমে পিটিশনকৃত আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Developer Ruhul Amin