মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
রেজিস্ট্রেশন ফিসের নামে ৫০০ টাকা আদায়ের অভিযোগ,তদন্তের আশ্বাস ইউএনও’র ৫ আগস্টের পর কিছু নিরীহ লোককে আসামি করা হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পুলিশের নতুন আইজিপি মোঃ আলী হোসেন ফকির ১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শ্রীপুরে দৈনিক নাগরিক ভাবনা পত্রিকার ৭ম বর্ষে পদার্পন উপলক্ষে মিলাদ মাহফিল ও কেক কাটা সরিয়ে দেওয়া হলো তাজুলকে, নতুন চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম গভীর রাতে মসজিদে আগুন সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের নতুন পিএসও লেফটেন্যান্ট জেনারেল মীর মুশফিকুর বাজার সিন্ডিকেট দমনে কঠোর পদক্ষেপের আহ্বান মশুরীখোলা পীরের শ্রীপুরে জমি নিয়ে বিরোধ: সাবেক বিজিবি সদস্যসহ একই পরিবারের ৪ জনকে কুপিয়ে জখম
নোটিশঃ
২৪ ঘন্টায় লাইভ খবর পেতে চোখ রাখুন প্রতিদিনের বাংলাদেশ ওয়েবসাইটে

দানব হওয়া ঠেকাতেই উচ্চকক্ষের প্রস্তাব: বদিউল আলম মজুমদার

Reporter Name / ৫৯ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৫, ১০:১৫ পূর্বাহ্ন

কারও দানবে পরিণত হওয়া ঠেকাতেই প্রতিষেধক হিসেবে উচ্চকক্ষের প্রস্তাব করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচনব্যাবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রধান বদিউল আলম মজুমদার। তিনি জানালেন, উচ্চকক্ষের বিষয়ে ব্যক্তিগতভাবে একমত না হলেও বাস্তবতার নিরিখে তিনি একমত হয়েছেন এবং চেক অ্যান্ড ব্যালেন্স নিশ্চিত করতে এটি সুপারিশ করা হয়েছে। জবাবদিহিতা না থাকার কারণেই শেখ হসিনা দানবে পরিণত হয়েছিল।

বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) রাজধানীর একটি হোটেলে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) আয়োজিত ‘প্রস্তাবিত উচ্চকক্ষ কি জাতীয় সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে পারবে?’ শীর্ষক সংলাপে বদিউল আলম মজুমদার এসব কথা বলেন।

বিষয়টি আরও খোলাসা করেন সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার। বলেছেন, শেখ হাসিনার কথা যদি ধরি, তিনি কিন্তু ট্যাংকে করে আসেন নাই, উর্দি পরেও আসেন নাই। এসে (ক্ষমতায়) সংবিধানও বাতিল করে দেননি। তিনি নির্বাচনের মাধ্যমে এসেছিলেন, যদিও নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন আছে। কিন্তু কীভাবে শেখ হাসিনা কীভাবে স্বৈরাচার, দানবে পরিণত হয়েছিলেন? কারণ, স্বৈরাচারী ব্যবস্থাই তাকে দানবে পরিণত করেছে।

‘আমাদের লক্ষ্য হলো, এই ব্যবস্থার অবসান ঘটানোর জন্য জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা। অবসান না ঘটলেও কিছু চেক অ্যান্ড ব্যালেন্সের বিষয় আসবে’— যোগ করেন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের এ সদস্য।

বদিউল আলম মজুমদার আরও বলেন, সংখ্যাগরিষ্ঠতায় অসামাঞ্জস্যতার কারণে শেখ হাসিনা দানব হয়েছিল। এটি আমরা ২০০১ ও ২০০৮ সালে দেখেছিলাম। ২০০১ সালে বিএনপি ৪০ দশমিক ৯৭ শতাংশ ভোট পেয়েছিল। আর আওয়ামী লীগ পেয়েছিল ৪০ দশমিক ১৩ শতাংশ ভোট। সেইবার বিএনপি ১৯৩টি আসন পায়, আওয়ামী লীগ পায় ৬২টি আসন। ২০০৮ সালে নৌকায় ভোট পড়ে ৪৮ দশমিক ৪ শতাংশ, আসন পায় ২৩০টি। ধানের শীষে ভোট পড়ে ৩২ দশমিক ৫০ শতাংশ, তারা মাত্র ৩০টি আসন পায়। এই যে অসামাঞ্জস্যতা এটি বড় দুর্বলতা। বিএনপিও তখন (২০০১-২০০৬) অনেক কিছু করেছিল বলে এক-এগারো আসে। এসব ঠেকাতেই উচ্চক্ষের প্রস্তাব, যা চেক অ্যান্ড ব্যালেন্স তৈরি করবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Developer Ruhul Amin