শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ১১:১১ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
তালতলীতে সার সংকটের মধ্যেও ২’শ কৃষকের মাঝে সার বিতরণ করা হচ্ছে মদনে সাবেক চেয়ারম্যানের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল দ্বিতীয় বিবাহ নিয়ে আমাদের সমাজে অনেক কথা হয় বিশ্ব “স্বজন” ফাউন্ডেশন এর উদ্যোগে পর্তুগালে ইফতার মাহফিল অনুষ্টিত পরিবর্তনের প্রত্যাশায় নেত্রকোনা পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ডে আলোচনায় তরুণ কাউন্সিলর পদপ্রার্থী শাওন ঝালকাঠি জেলা সাংবাদিক সমিতির সভাপতি শামীম, সাধারণ সম্পাদক শহিদুল কুষ্টিয়া মাথাভাঙা নদী থেকে মানসিক ভারসাম্যহীন নারীর মরদেহ উদ্ধার গণতন্ত্রের অতন্দ্র প্রহরী খালেদা জিয়া : মির্জা ফখরুল নেত্রকোনার মদন প্রেসক্লাবের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত নেত্রকোনায় সুলভ মূল্যে দুধ, ডিম ও গরুর মাংস বিক্রি উদ্বোধন প্রাণিসম্পদ দপ্তরের 
নোটিশঃ
২৪ ঘন্টায় লাইভ খবর পেতে চোখ রাখুন প্রতিদিনের বাংলাদেশ ওয়েবসাইটে

দ্বিতীয় বিবাহ নিয়ে আমাদের সমাজে অনেক কথা হয়

Reporter Name / ৩০ Time View
Update : শুক্রবার, ১৩ মার্চ, ২০২৬, ১:২১ অপরাহ্ন

দ্বিতীয় বিবাহ নিয়ে আমাদের সমাজে অনেক কথা হয়। বিশেষ করে বাংলাদেশে এই বিষয়টি নিয়ে এত বেশি নেতিবাচক ধারণা তৈরি হয়েছে যে, অনেক মানুষ ইসলামের বাস্তব শিক্ষাটাই ভুলে গেছে।

পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা স্পষ্টভাবে বলেছেন:

﴿فَانكِحُوا مَا طَابَ لَكُم مِّنَ النِّسَاءِ مَثْنَىٰ وَثُلَاثَ وَرُبَاعَ﴾
“তোমাদের পছন্দমতো নারীদের মধ্যে দুই, তিন বা চারজন পর্যন্ত বিবাহ করো।”
— (সূরা আন-নিসা ৪:৩)

তবে সাথে সাথে আল্লাহ শর্তও দিয়েছেন—ন্যায়বিচার করতে হবে।

﴿فَإِنْ خِفْتُمْ أَلَّا تَعْدِلُوا فَوَاحِدَةً﴾
“যদি আশঙ্কা করো যে ন্যায়বিচার করতে পারবে না, তাহলে একটিই যথেষ্ট।”

অর্থাৎ ইসলাম পুরুষকে অবাধ ছাড় দেয়নি।
বরং সামর্থ্য, দায়িত্ব এবং ন্যায়বিচার—এই তিনটি শর্ত দিয়েছে।

আমাদের প্রিয় নবী ﷺ নিজেও একাধিক বিবাহ করেছেন, এবং সাহাবায়ে কেরামের মধ্যেও অনেকেই একাধিক স্ত্রী নিয়ে সম্মানের সাথে পরিবার পরিচালনা করেছেন। তাদের উদ্দেশ্য ছিল—দায়িত্ব নেওয়া, পরিবার গঠন করা এবং সমাজকে সঠিক পথে রাখা।

কিন্তু আজকের বাস্তবতা কী?

বাংলাদেশের সমাজে অনেক নারী এমনভাবে চিন্তা করতে শুরু করেছে যেন স্বামী শুধু তার একক সম্পত্তি।
ফলে স্বামীর মানসিক চাহিদা, বাস্তবতা এবং ইসলামের অনুমতির বিষয়গুলো অনেক সময় গুরুত্ব পায় না।

অন্যদিকে আমরা যদি আরব সমাজের দিকে তাকাই, দেখা যায়—অনেক আরব নারী বিষয়টিকে শরিয়তের দৃষ্টিতে বোঝার চেষ্টা করে। তারা জানে—যদি স্বামী ন্যায়বিচার করতে পারে এবং দায়িত্ব পালন করতে পারে, তাহলে দ্বিতীয় বিবাহ ইসলামে বৈধ।

সত্য কথা হলো—
অনেক পুরুষ সমাজের ভয়, মানুষের কথা এবং সাংস্কৃতিক চাপের কারণে নিজের জীবনের শান্তিকে চাপা দিয়ে রাখে।
ফলে অনেক সময় তারা ভিতরে ভিতরে অশান্তি নিয়ে জীবন কাটায়।

ইসলাম বাস্তবতার ধর্ম।
এখানে মানুষের স্বাভাবিক চাহিদা, পরিবার এবং সমাজ—সবকিছু বিবেচনা করা হয়েছে।

যদি একজন পুরুষের সামর্থ্য থাকে, ন্যায়বিচার করতে পারে এবং দায়িত্ব পালন করতে পারে, তাহলে দ্বিতীয় বিবাহ তার জন্য কোনো লজ্জার বিষয় নয়।
বরং অনেক ক্ষেত্রে এটি তার মানসিক ও পারিবারিক শান্তির একটি পথ হতে পারে।

একজন সত্যিকারের শক্তিশালী পুরুষ সেই ব্যক্তি—
যিনি দায়িত্ব নিতে পারেন, ন্যায়বিচার করতে পারেন এবং কাউকে অবহেলা না করে সম্মানের সাথে পরিবার পরিচালনা করেন।

খারাপ কাজের প্রতি আগ্রহ হচ্ছে প্রতি মুহূর্তে এবং সমাজের ভয়ে নিজের জীবনকে কষ্টের মধ্যে ফেলে দেওয়া জ্ঞানীর কাজ নয়।
মানুষের কথা শেষ হবে না, কিন্তু মানুষের জীবন একটাই। ★লেখক ইসলামী কলামিস্ট শাইখ সুজন ইব্রাহিম★। (চলবে)


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Developer Ruhul Amin