রবিবার, ২৬ মে ২০২৪, ১২:৪৮ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
২৪ ঘন্টায় লাইভ খবর পেতে চোখ রাখুন প্রতিদিনের বাংলাদেশ ওয়েবসাইটে

তুষারঝড়ে বিপর্যস্ত যুক্তরাষ্ট্র-কানাডা, মৃত্যু বেড়ে ৩৮

Reporter Name / ১২৭ Time View
Update : সোমবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০২২, ৬:৩১ পূর্বাহ্ন

অনলাইন  ডেস্ক:

গত কয়েক দিন ধরে তুষারঝড়ের সঙ্গে যুদ্ধ করছে যুক্তরাষ্ট্র। এ পর্যন্ত দেশটিতে তুষারঝড়ে প্রাণহানি ঘটেছে ৩৪ জনের। একই সঙ্গে প্রতিবেশী দেশ কানাডাতেও তুষার ঝড়ের কবলে পড়ে মৃত্যু হয়েছে চারজনের। ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি আজ সোমবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা বলেছেন, উত্তর আমেরিকাজুড়ে তুষারঝড়ের কবলে পড়ে মৃত্যুর সংখ্যা ৩৪ জনে দাঁড়িয়েছে। এর আগে গত শনিবার পর্যন্ত ১৯ জনের প্রাণহানির কথা জানিয়েছিল মার্কিন প্রশাসন। ঝড়ের কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে নিউইয়র্ক রাজ্যের বাফেলো শহর। অন্যদিকে কানাডার ব্রিটিশ কলাম্বিয়া রাজ্যের মেরিট শহরের কাছে একটি বরফাচ্ছাদিত রাস্তায় একটি যাত্রীবাহী বাস উল্টে চারজন নিহত হয়েছেন।

বার্তা সংস্থা এপি জানিয়েছে, তুষার ঝড়ের কারণে বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিল যুক্তরাষ্ট্রের অনেক এলাকা। তবে গতকাল সন্ধ্যায় কয়েকটি এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ সচল করা হয়েছে। গতকাল রোববার বিকেল পর্যন্ত ২ লাখের কম গ্রাহক বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন ছিলেন। তার আগে সংখ্যাটি ছিল প্রায় ১ কোটি ৭০ লাখ।

তুষার ঝড়ের কারণে হাজার হাজার ফ্লাইট বাতিল করতে বাধ্য হয়েছিল মার্কিন প্রশাসন। বহু মানুষ বড়দিনের উৎসবে যোগ দিতে পরিবারের কাছে যেতে পারেননি। মার্কিন প্রশাসন ‘শীতল বায়ু সতর্কতা’ জারি করেছে। ফলে ৫ কোটি ৫০ লাখেরও বেশি মানুষ কোথাও যেতে পারেননি।

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস থেকে কানাডার কুইবেক পর্যন্ত দুই হাজার মাইলজুড়ে নজিরবিহীন তুষার ঝড় বইছে। গত শুক্রবার বায়ুমণ্ডলের চাপ দ্রুত কমে ঝড়টি ‘বোম্ব সাইক্লোনে’ রূপ নেয়। এতে যুক্তরাষ্ট্র-কানাডা সীমান্তে তুষার ঝড়ের মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। যুক্তরাষ্ট্রে শীতকালের এ ঝড়কে সাধারণত ‘বোম্ব সাইক্লোন’ বলা হয়।

নিউইয়র্ক স্টেটের গভর্নর ক্যাথি হচুল বলেছেন, ‘বাফেলোর ইতিহাসে এমন ঝড় আগে দেখা যায়নি। ইতিহাসে এটি সবচেয়ে বিধ্বংসী ঝড় হিসেবে লেখা থাকবে।’

এরি কাউন্টির নির্বাহী মার্ক পোলোনকারজ বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, ওই এলাকায় ঝড়ের কবলে পড়ে সাতজন মারা গেছেন। এ ছাড়া ভারমন্ট, ওহিও, মিসৌরি, উইসকনসিন, কানসাস এবং কলোরাডোতেও ঝড়ের কবলে পড়ে মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। মন্টানা রাজ্য সবচেয়ে বিপর্যয়ের মধ্যে পড়েছে। সেখানে তাপমাত্রা মাইনাস ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে গেছে।

অন্যদিকে কানাডার অন্টারিও ও কুইবেক রাজ্য তুষারঝড়ে সবচেয়ে বেশি ধ্বস্ত হয়েছে। গতকাল রোববার কুইবেকে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার মানুষ বিদ্যুৎবিহীন ছিলেন। কর্মকর্তারা বলছেন, বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনরায় সচল করতে কয়েক দিন সময় লাগতে পারে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Developer Ruhul Amin