ফরিদপুরে বিভিন্ন উপজেলা ও ইউনিয়নের সারের সংকট এবং সরকারের নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অনেক বেশি মূল্য দিয়ে কিনতে হচ্ছে সার,সরকারের নির্ধারিত ডিলারের নিকট থেকে সার পাচ্ছে না কৃষকেরা। তবে বাজারে খুরচা বিক্রেতা থেকে এক হাজার পঞ্চাশ টাকার মূল্য সার কৃষকদের কিনতে হচ্ছে সতরশ পঞ্চাশ টাকা দিয়ে। অর্থাত সাতশত টাকা বেশি দিয়ে। অথচ সার গোডাউন থেকে প্রতিদিন ফরিদপুরের টেখাখোলা দুটি গোডাউন থেকে শতাধিক সারের ট্রাক লোড আনলোড হচ্ছে যা দৃশ্য মান মানুষের চোখে। এতো সার প্রতিদিন লোড আনলোড হলে কৃষকরা কেন ডিলারদের থেকে সার পাবেনা এতো সার কোথায় যায়।
কৃষক মামুন জামন সেলিম সহ একাধিকরা জানান কিছু প্রভাবশালী নেতাদের ও কিছু কৃষি কর্মকর্তাদের (ভি এস ) সহযোগিতায় সার কালো বাজারে বিক্রি করে দিচ্ছে। তারা আরো বলেন সার সময় মতো নির্ধরিত মূল্যে সরবরাহ না করলে আমারা আগামীতে কৃষিকাজ করবো না। আর কৃষরা না বাচলে দেশের জনগন বাজবে না, এ বিষয়ে টোপাখোলা সার গোডাউনের দায়িত্ব প্রাপ্ত উপ পরিচালক সায়মুন ইসলাম জানান আমাদের দায়িত্ব শুধু ডিলারদের সার গোডাউন থেকে সরবরাহ করা, বাকি দায়িত্ব কৃষি বিভাগের।
তিনি আরো বলেন আমারা বি এ ডি সির নিয়ন্ত্রণে। এ বিষয়ে ফরিদপুর সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেনের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি তার মোবাইল ফোন টি রিসিভ করেন নাই। তবে ফরিদপুরের শতাধিক কৃষকরা মাননীয় প্রধান মন্ত্রী তারেক রহমান কে জরুরী ভাবে দৃষ্টি দেওয়ার জন্য আহবান জানান এবং কালোবাজারিদের আইনের আওতায় এনে সুষ্ঠু বিচারের ও দাবি জানান। ফরিদপুর ৯ টি উপজেলায় কৃষকদের বুক ভরা কান্না দেখার কেউ নেই।