স্টাফ রিপোর্টারঃ
সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা, মানুষের প্রতি গভীর মমত্ববোধ এবং উন্নয়নের দৃঢ় অঙ্গীকার—এই তিন শক্তিকে সামনে নিয়েই এগিয়ে চলেছেন সাংবাদিক ও সমাজচিন্তক সৈয়দ সময়। নেত্রকোনা পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হিসেবে তার প্রার্থিতা ইতোমধ্যেই সাধারণ মানুষের মাঝে সৃষ্টি করেছে ব্যাপক আলোড়ন ও নতুন আশার সঞ্চার।
শৈশব থেকেই মানবকল্যাণে নিবেদিত এই বহুমাত্রিক ব্যক্তিত্ব নিজের কর্ম, চিন্তা ও সৃজনশীলতার মাধ্যমে গড়ে তুলেছেন এক অনন্য পরিচিতি। কবিতা, ছোটগল্প, গান, মঞ্চনাটক কিংবা পত্রিকার কলামে তার স্বতন্ত্র উপস্থিতি সমাজকে যেমন ভাবিয়েছে, তেমনি অনুপ্রাণিতও করেছে।
তার পারিবারিক শেকড়ও দায়িত্ববোধে সুদৃঢ়। বাবা গোলাম মোস্তফা ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একজন সৎ ও নিষ্ঠাবান ম্যানেজার এবং মা জরিপৌষ ঠাকুর একজন স্নেহময়ী গৃহিণী। শিক্ষাজীবনে নেত্রকোনা আঞ্জুমান সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ও নেত্রকোনা সরকারি কলেজ থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে তিনি গড়ে তুলেছেন সুসংহত চিন্তাধারা ও সামাজিক বোধ।
সাংবাদিকতা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে তার অবদান বহুমাত্রিক। তিনি বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক সোসাইটি এবং জার্নালিস্ট ভয়েস অফ বাংলাদেশ, নেত্রকোনা জেলা শাখার সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন দক্ষতার সঙ্গে। এছাড়া আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন “হিউম্যান এইড ইন্টারন্যাশনাল”-এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে মানবাধিকারের পক্ষে কাজ করেছেন নিরলসভাবে।
সংস্কৃতি ও সামাজিক সংগঠনের সঙ্গেও তার রয়েছে সক্রিয় সম্পৃক্ততা। তিনি নেত্রকোনা জেলা শিল্পকলা একাডেমির আজীবন সদস্য, বাংলাদেশ নজরুল সেনা ও দূর্বার গোষ্ঠীর সক্রিয় সদস্য, যুব রেড ক্রিসেন্টের সাবেক কর্মী এবং জাতীয় তেল-গ্যাস-খনিজ ও বন্দর রক্ষা কমিটির নেত্রকোনা জেলা শাখার সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
তবে এসব পরিচয়ের বাইরেও তাকে আলাদা করে তোলে মানুষের জন্য কাজ করার তার আন্তরিকতা। সৈয়দ সময় বিশ্বাস করেন, উন্নয়ন মানে শুধু অবকাঠামো নয়—বরং মানুষের জীবনমানের ইতিবাচক পরিবর্তন।
কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হিসেবে তিনি বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গীকার তুলে ধরেছেন, যা ইতোমধ্যেই স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—
▪ শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে সহায়ক পাঠদান
▪ তরুণদের জন্য কম্পিউটার প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা
▪ ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের উন্নয়নে সহায়তা
▪ পরিবেশ রক্ষায় ব্যাপক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি
তার ভাষায়, “আমি শুধু দায়িত্ব পালনের জন্য নয়, মানুষের পাশে থাকার জন্য কাজ করতে চাই। আমার ওয়ার্ডকে একটি শিক্ষিত, সচেতন ও পরিবেশবান্ধব মডেল ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।”
নেত্রকোনা পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ডের সাধারণ মানুষ ইতোমধ্যেই তার এই উদ্যোগ ও কর্মপরিকল্পনায় ইতিবাচক সাড়া দিতে শুরু করেছেন। বিশেষ করে তরুণ সমাজ, শিক্ষার্থী ও সাধারণ ভোটারদের মাঝে তৈরি হয়েছে এক নতুন আস্থার জায়গা।
এই নির্বাচনে সৈয়দ সময় শুধু একজন প্রার্থী নন—তিনি এক সম্ভাবনার প্রতীক, এক স্বপ্নের নাম। যে স্বপ্নে রয়েছে একটি উন্নত, মানবিক ও সমতাভিত্তিক সমাজ গড়ার প্রত্যয়।
মানুষের কল্যাণে কাজ চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার নিয়ে তিনি সকলের দোয়া, সমর্থন ও ভোট প্রত্যাশা করেছেন। এখন দেখার পালা—এই আস্থা ও ভালোবাসা কতটা ভোটে রূপ নেয়।